ইলুমিনাতি রহস্য

প্রজেক্ট ব্লু ভিম

কিছু ব্যাক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে রিসার্চের সূত্রপাত। আমি বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপে এমন ধরণের কিছু ভিডিও লক্ষ্য করি যেখানে আকাশে বিভিন্ন ধর্মীয় বিশ্বাসের ঈশ্বর, বা ভয়ংকর দর্শী রোবট দেখা যাচ্ছে আর শুনা যাচ্ছে হাজার মানুষের সম্বলিত চিৎকার চেঁচামেচি, এরা বেশির ভাগেই এমন অপ্রত্যাশিত  বিষয় দেখে প্যানিক করছেন।

প্রথমে আমি ভেবেছিলাম এটা কোন বাঁদর পোলাপান দ্বারা তৈরি স্বস্তা VFX ভিডিও। কিন্তু এর কিছু দিন পরই ইলুমিনাতির নতুন কোন আপডেট আছে কিনা তা দেখতে গিয়ে আমার চোখে পরল একটা প্রজেক্টের নাম।
প্রজেক্ট” ব্লু ভিম”।এই বিষয়টা তো সবারই জানা যে পৃথিবীর বাইরে জালের মত ছড়িয়ে আছে হাজারও স্যাটালাইট। কিন্তু এই স্যাটালাইটের কাজ কী কী তা কী আমরা সঠিক ভাবে জানি?আমাদের জানা মতে এই গুলো আবহাওয়ার খবর, পৃথিবীর নেটওয়ার্কিং ব্যাবস্থা সচল রাখা, মহাকাশের বিভিন্ন গবেষণা ও রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা ইত্যাদি কাজে ব্যাবহৃত হয়।কিন্তু বিষয়টা আসলে তা নয়। এসব স্যাটালাইট দিয়ে এ ছাড়াও করা হচ্ছে আরো অনেক কিছু, যেমন আবহাওয়া নিয়ন্ত্রণ, সাধারণ জনগণের ব্যাক্ত্বিগত তথ্য চুরি। বড় রাষ্ট্র দ্বারা ছোট বা দূর্বল রাষ্ট্রের সিস্টেম নিয়ন্ত্রণ এবং পরিশেষে লো ফ্রিকোয়েন্সী ওয়েব দ্বারা মানুষের মস্তিষ্ক নিয়ন্ত্রণ।এর সাথে যুক্ত হতে যাচ্ছে এক নতুন মাত্র যার নাম প্রোজেক্ট “ব্লু ভিম”।

২০০৯ সালকে ইন্টারন্যাশনাল আস্ট্রোনমি ইয়ার বলে ঘোষণা দেয়া হয়।ধরণা করা হয় এই সালেই ইলুমিনাতির নিউ ওয়ার্ল্ড ওর্ডার এর স্বপ্ন আরেকটি স্পষ্ট পদক্ষেপ রাখে তাদের লক্ষ্যের দিকে।এই সালে নাসা তাদের বিভিন্ন গোপন প্রজেক্টে হাত দেয় যে গুলো কী কী তা আজও রহস্যের জালে ঘেরা।নাসার এমনই একটি প্রোজেক্ট যার ইতিমধ্যে কিছু গোমর ফাঁস হয়েছে তা হল প্রজেক্ট ব্লু ভিম। এই প্রজেক্টটির জন্য আমেরিকা,ইজরাইল এর মত দেশ গুলো খরচ করেছে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারস।

কী এই প্রজেক্ট ব্লু ভিম?
ধরুণ একদিন বারান্দায় বসে আপনি আকাশের দিকে তাকিয়ে আছেন এমন সময় আকাশে এমন কিছু একটা চোখে পরল যা দেখে আপনি কিছুক্ষণের জন্য নড়েচড়ে বসলেন।ক্রমশই ছবিটি স্পষ্ট হয়ে উঠল এবং আপনি দেখতে পেলেন আপনার ধর্মের কোন ঈশ্বর বা দেবদূতের ছবি আকাশে ভেসে উঠেছে এবং সে আপনাকে বলছে – আমার কথা মানো আমি পরম সত্যি এই বিপদে আমি তোমাদের সাহায্যের জন্য এসেছি।

প্রতিক্রিয়া কী হবে আপনার?এখন বলি বিহাইন্ড দা সিন, গল্পটা কী,
খুব শিগগিরই পৃথিবী সাক্ষী হতে যাচ্ছে এক বিশাল লাইট সো এর যার নাম প্রোজেক্ট ব্লু ভিম। যেখানে নাসা তার সর্বোচ্চ দিয়ে চেষ্টা করবে মিথ্যাকে সত্যি বলে প্রমাণ করতে।আর মজার ব্যাপার হলে এই ঘটনাটি সংগঠিত হবার সম্ভাবনা তখন যখন মানুষ মানসিক ভাবে ভেঙে পরবে ভাইরাস, অর্থনৈতিক অবস্থা পারিপার্শ্বিক চাপে।তখন পৃথিবীর এই বিপুল জনসংখ্যার দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে ইলুমিনাতির নোংরা পরিকল্পনা কে
বাস্তবে রূপ দিতে কাজে নেমে পরবে নাসা এমন টাই ধারণা করা হয়।

এই সম্পূর্ন প্রক্রিয়া কার্যকর হবে চারটি ধাপে-

১.মানুষের নৈতিকতা, আস্তিকতা, ধর্ম বিশ্বাসে প্রশ্নের মুখে ঠেলে দেয়া হবে।যা বর্তমানে হয়ে গেছে প্রায়।পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প দেখা দিবে যার মাত্রা বেরেছে ২০০৮ সাল হতে।একটা গোষ্ঠী আপ্রাণ চেষ্টা করবে সকল ধর্মকে এক সূত্রে বাঁধতে।

২.সবার মধ্যে এ ধরণের বিষয়ে আলোচনা দেখা দিলে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ লাইট সো এটিকে বাস্তবে রূপ দেয়া হবে।তখন শতাধিক স্যাটালাইট ও ড্রোন ব্যবহৃার করা হতে পারে, আকাশে বিভিন্ন ধর্মীয় ঈশ্বর দের থ্রি ডি হলোগ্রাফিক চিত্র তৈরির জন্য।

৩.এধাপের জন্য পৃথিবীর সকল টু ওয়ে কমিউনিকেশন সিস্টেমকে ব্যবহৃার হবে এটার মাধ্যমে তৈরি করা হবে লো ফ্রিকোয়েন্সী ওয়েব যার মাধ্যমে মানুষের মস্তিষ্কে একটি বিশেষ ম্যাসেজ সেন্ড করা হবে।

৪.এই ধাপে হবে ফাইনাল সো তথা একজন মাসিহার এপিরিয়েন্স এবং দেখানো হবে সকল ধর্মের ঈশ্বর মিলে একজন ঈশ্বরের রূপ ধারণ করছে।
সে আর কেউ না শয়তানিক ধর্মের প্রবর্তক। যে কিনা নিউ ওয়ার্ল্ড ওর্ডারের মূল হোতা।

এবং এরি মাধ্যমে নিউ ওয়ার্ল্ড ওর্ডারের গোরা পত্তন করা হবে। কিন্তু ভয় পাবার কিছু নেই এটা মনে রাখবেন এই মহাবিশ্বের একটাই নীতি “মিথ্যার উপর সত্যের জয় “আজ হোক কাল হোক ইনশাআল্লাহ তাই হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here