আমার বিশ্বজগৎ

পর্ব-০১ এ সকলকে স্বাগতম।

আজকে যে দেশকে নিয়ে আলোচনা করব সেটি হলো সকলেরই একটি পরিচিত দেশ “আমেরিকা/মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র” বা “USA” অথবা “United States of America”কে নিয়ে।

আমেরিকা হলো উত্তর আমেরিকা মহাদেশের মধ্যভাগের দেশ। এই আমেরিকার রাজধানী হলো ওয়াশিংটন ডিসি। আমেরিকা 48টি অঙ্গরাজ্য নিয়ে গঠিত। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডটি পশ্চিমে প্রশান্ত ও পূর্বে আটলান্টিক মহাসাগরদ্বয়ের মধ্যস্থলে অবস্থিত; এই অঞ্চলের উত্তর ও দক্ষিণ সীমান্তে অবস্থিত যথাক্রমে কানাডা ও মেক্সিকো রাষ্ট্রদ্বয়। আলাস্কা রাজ্যটি অবস্থিত মহাদেশের উত্তর-পশ্চিমে; এই রাজ্যের পূর্ব সীমান্তে রয়েছে কানাডা ও পশ্চিমে বেরিং প্রণালী পেরিয়ে রয়েছে রাশিয়া। হাওয়াই রাজ্যটি মধ্য-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থিত একটি দ্বীপপুঞ্জ। এছাড়াও ক্যারিবীয় সাগর ও প্রশান্ত মহাসাগরের অনেক অঞ্চল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অধিকারভুক্ত।

নীতিবাক্য :আমেরিকার নীতিবাক্য হলো “In God We trust “অর্থাৎ “আমরা সৃষ্টিকর্তায় বিশ্বাস করি”। কিন্ত তারা যে কীসে বিশ্বাস করে, কাকে বিশ্বাস করে সেইটা একটা অন্যতম রহস্যের মায়াজাল! তারা সৃষ্টিকর্তায় তো বিশ্বাসই করে না, বরং তারা বিশ্বাস করে হলো “Illuminati” তে। তারা এই “Illuminati” এরই পূজা করে আসছে! থাক আজ আর সেদিকে যাব না।অন্য একসময় তাদের “নীতিবাক্য” এর রহস্যের মায়াজালের জট খুলবো বিস্তর পরিসরে ইনশাআল্লাহ।

জাতীয় সঙ্গীত:আমেরিকার জাতীয় সঙ্গীত হলো “The Star Spangled banner” বা “তারায় ঝলমলে পতাকা ”

বৃহত্তম শহর :আমেরিকার বৃহত্তম শহর হলো নিউইয়র্ক।

ভাষা:আমেরিকার স্বীকৃত জাতীয় ভাষা হলো ইংরেজি।এছাড়াও আমেরিকার স্বীকৃত অনেকগুলো আঞ্চলিক ভাষা রয়েছে। সেগুলো হলো:স্পেনীয়,হাওয়াইয়ান,সামোয়ান,চামেরো,কেরোলিনিয়ান,চেরোকি।পাঁচ বছর এবং তার অধিক বয়স্ক আমেরিকানদের ৮০ শতাংশের একমাত্র কথ্য ভাষাও হল ইংরেজি। স্পেনীয় ভাষা দ্বিতীয় সাধারণ কথ্য ভাষা।

জাতীয়তাসূচক বিশেষণ:আমেরিকার জাতীয়তাসূচক বিশেষণ হলো “মার্কিন”। তাদেরকে “মার্কিনী” বলা হয়।

সরকার :আমেরিকার সরকারব্যবস্থা হলো “সাংবিধানিক প্রজাতন্ত্র”।১৭৮৭ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর ক্যালিফোর্নিয়া কনভেনশন বর্তমান মার্কিন সংবিধানটি গ্রহণ করে। পরের বছর এই সংবিধান সাক্ষরিত হলে যুক্তরাষ্ট্র একটি শক্তিশালী কেন্দ্রীয় সরকার সহ একক প্রজাতন্ত্রে পরিণত হয়। ১৭৯১ সালে সাক্ষরিত এবং দশটি সংবিধান সংশোধনী সম্বলিত বিল অফ রাইটস একাধিক মৌলিক নাগরিক অধিকার ও স্বাধীনতা সুনিশ্চিত করে।

রাষ্ট্রপতি :ডোনাল্ড ট্রাম্প

উপরাষ্ট্রপতি :মাইক পেন্স

স্পিকার:ন্যান্সি পলসি

প্রধান বিচারপতি :জন রবার্টস

স্বাধীনতা:আমেরিকা স্বাধীনতা অর্জন করেছে গ্রেট ব্রিটেন থেকে।প্রাথমিক পর্যায়ে আটলান্টিক মহাসাগর তীরস্থ উত্তর আমেরিকার তেরোটি ব্রিটিশ উপনিবেশ নিয়ে গঠিত হয়েছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। ১৭৭৬ সালের ৪ জুলাই এই উপনিবেশগুলি একটি স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করে। এই ঘোষণাপত্রের মাধ্যমে উপনিবেশগুলি তাদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার ঘোষণা করে এবং একটি সমবায় সংঘের প্রতিষ্ঠা করে। আমেরিকার স্বাধীনতা যুদ্ধে এই বিদ্রোহী রাজ্যগুলি গ্রেট ব্রিটেনকে পরাস্ত করে। এই যুদ্ধ ছিল ঔপনিবেশিকতার ইতিহাসে প্রথম সফল ঔপনিবেশিক স্বাধীনতা যুদ্ধ।

আয়তন :আমেরিকার আয়তন হলো মোট ৯৮,২৬,৬৭৫ বর্গকিলোমিটার বা ৩৭,৯৪,১০০ বর্গমাইল।মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র না গণপ্রজাতন্ত্রী চীন – কোন দেশটি আয়তনে বড়ো তা নিয়ে মতবিরোধ আছে। দেশের আয়তন সংক্রান্ত সকল সরকারি গণনায় কেবল পঞ্চাশটি রাজ্য ও ডিস্ট্রিক্ট অফ কলম্বিয়ার আয়তন ধরা হয়ে থাকে, শাসিত অঞ্চলগুলি ধরা হয় না।সামগ্রিক আয়তনের হিসেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের তৃতীয় অথবা চতুর্থ বৃহত্তম রাষ্ট্র। আবার স্থলভূমির আয়তন ও জনসংখ্যার হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম দেশ।

জনসংখ্যা:2017 সালের হিসাব অনুযায়ী আমেরিকার জনসংখ্যা হলো ৩২৫,০১২,০০০জন।আমেরিকায় প্রতি বর্গকিলোমিটার এ 35 জন মানুষ বাস করে। জনসংখ্যার ঘনত্বের হিসাব অনুসারে আমেরিকা বিশ্বে 180তম দেশ। জনসংখ্যার এই হিসাবের ক্ষেত্রে অনাগরিক সহ যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চাশটি রাজ্য ও ডিস্ট্রিক্ট অফ কলম্বিয়ার সাধারণ বাসিন্দাদের ধরা হয়েছে। শাসিত অঞ্চলগুলির জনসংখ্যা এর মধ্যে ধরা হয়নি। উল্লেখ্য, শাসিত অঞ্চলগুলির জনসংখ্যা চল্লিশ লক্ষেরও বেশি (অধিকাংশ পুয়ের্তো রিকোর বাসিন্দা)। এছাড়াও যুক্তরাষ্ট্রেরর বাইরে বসবাসকারী মার্কিন নাগরিকদেরও ধরা হয়নি।

অর্থনীতি:বিশ্বের বৃহত্তম জাতীয় অর্থনীতি। ২০০৮ সালে দেশের আনুমানিক জিডিপি হার ছিল ১৪.৪ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার (নামমাত্র বিশ্ব জিডিপির এক চতুর্থাংশ এবং ক্রয় ক্ষমতা সমতায় বিশ্ব জিডিপির এক পঞ্চমাংশ) 2016 সালের হিসাব অনুযায়ী আমেরিকার জিডিপির পরিমাণ $১৮.৫৫৮ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার।

মুদ্রা :আমেরিকার মুদ্রা হলো “মার্কিন ডলার”

গাড়ি চালানোর দিক :ডান

সমাজব্যবস্থা:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সমাজ বিশ্বের সর্বাপেক্ষা বৈচিত্র্যমণ্ডিত বহুজাতিক সমাজব্যবস্থা। বহু দেশ থেকে বিভিন্ন জাতির মানুষের অভিবাসনের ফলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আজ একটি বহুসংস্কৃতিবাদী দেশ।

আদিবাসী :আমেরিকার আদিম অধিবাসীরা সম্ভবত এশীয় বংশোদ্ভুত। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডে এরা কয়েক হাজার বছর ধরে বসবাস করছে। তবে নেটিভ আমেরিকানদের জনসংখ্যা ইউরোপীয় উপনিবেশ স্থাপনের পর থেকে মহামারী ও যুদ্ধবিগ্রহের প্রকোপে ব্যাপক হ্রাস পায়।

জমি অধিগ্রহণ:ঊনবিংশ শতাব্দীতে যুক্তরাষ্ট্র ফ্রান্স, স্পেন, যুক্তরাজ্য, মেক্সিকো ও রাশিয়ার থেকে জমি অধিগ্রহণ করে এবং টেক্সাস প্রজাতন্ত্র ও হাওয়াই প্রজাতন্ত্র অধিকার করে নেয়।

গৃহযুদ্ধ: ১৮৬০-এর দশকে রাজ্যসমূহের অধিকার ও দাসপ্রথার বিস্তারকে কেন্দ্র করে গ্রামীণ দক্ষিণাঞ্চল ও শিল্পোন্নত উত্তরাঞ্চলের বিবাদ এক গৃহযুদ্ধের জন্ম দেয়। উত্তরাঞ্চলের বিজয়ের ফলে দেশের চিরস্থায়ী বিভাজন রোধ করা সম্ভব হয়। এরপরই যুক্তরাষ্ট্রে দাসপ্রথা আইনত রদ করা হয়। ১৮৭০-এর দশকেই মার্কিন অর্থনীতি বিশ্বগৃহযুদ্ধ: ১৮৬০-এর দশকে রাজ্যসমূহের অধিকার ও দাসপ্রথার বিস্তারকে কেন্দ্র করে গ্রামীণ দক্ষিণাঞ্চল ও শিল্পোন্নত উত্তরাঞ্চলের বিবাদ এক গৃহযুদ্ধের জন্ম দেয়। উত্তরাঞ্চলের বিজয়ের ফলে দেশের চিরস্থায়ী বিভাজন রোধ করা সম্ভব হয়। এরপরই যুক্তরাষ্ট্রে দাসপ্রথা আইনত রদ করা হয়। ১৮৭০-এর দশকেই মার্কিন অর্থনীতি বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির শিরোপা পায়।

বিশ্বযুদ্ধ ও আমেরিকা:স্পেন-মার্কিন যুদ্ধ ও প্রথম বিশ্বযুদ্ধ সামরিক শক্তি হিসেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে প্রতিষ্ঠা দান করে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় এই দেশ প্রথম পরমাণু শক্তিধর রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে এবং রাষ্ট্রসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে স্থায়ী সদস্যপদ লাভ করে। ঠান্ডা যুদ্ধের শেষভাগে এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের একমাত্র মহাশক্তিধর রাষ্ট্রে পরিণত হয়। বিশ্বের মোট সামরিক ব্যয়ের দুই-পঞ্চমাংশ খরচ করে এই দেশ।

Great Depression:১৯৩০ এর দশকে ও একবিংশ শতকের প্রথম দশকের শেষে আমেরিকার অর্থনীতি ‘অর্থনেতিক মহামন্দা’ বা ‘গ্রেট ডিপ্রেশন’র স্বীকার হয়।

নামকরণ : 1507 সালে জার্মান মানচিত্রকর মার্টিন ওয়াল্ডসিম্যুলার বিশ্বের একটি মানচিত্র প্রকাশ করেন। এই মানচিত্রে তিনি ইতালীয় আবিষ্কারক ও মানচিত্রকর আমেরিগো ভেসপুচির নামানুসারে পশ্চিম গোলার্ধের নামকরণ করেন “আমেরিকা”।মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে পূর্বতন ব্রিটিশ উপনিবেশগুলি প্রথম দেশের আধুনিক নামটি ব্যবহার করে।1777 সালের 15 নভেম্বর দ্বিতীয় মহাদেশীয় কংগ্রেসে আর্টিকলস অফ কনফেডারেশন বিধিবদ্ধকরণের মাধ্যমে বর্তমান নামটি চূড়ান্ত হয়।সংক্ষিপ্ত নাম হিসেবে the United States নামটি প্রামাণ্য। অন্যান্য প্রচলিত নামগুলি হল the U.S., the USA, ও America। কথ্য নামগুলি হল the U.S. of A. ও the States। ক্রিস্টোফার কলম্বাসের নামানুসারে কলম্বিয়া নামটি এককালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাম হিসেবে ব্যবহৃত হত। “ডিস্ট্রিক্ট অফ কলম্বিয়া” নামের মধ্যে এই নামটির আজও অস্তিত্ব রয়েছে।

আমেরিকার আদিবাসী : আমেরিকার মূল ভূমি এবং আলাস্কাতে বর্তমানে যে আদিবাসীরা বাস করে তারা এশিয়া থেকে অভিবাসী হয়ে এ অঞ্চলে এসেছিল। তারা আজ থেকে প্রায় ৪০,০০০ বছর আগে থেকে আসা শুরু করেছিল বলে ধারণা করা হয়। কমপক্ষে ১২,০০০ বছর আগে তাদের আসার ব্যাপারটি তো প্রায় নিশ্চিত। প্রাক-কলাম্বীয় যুগের অনেক আদিবাসী সম্প্রদায়ই অগ্রসর কৃষি, স্থাপত্য এবং রাজ্য-সদৃশ সমাজব্যবস্থা গড়ে তুলেছিল। ইউরোপীয় অভিযাত্রী ক্রিস্টোফার কলম্বাস ১৪৯৩ সালের নভেম্বর ১৯ তারিখে আমেরিকা অঞ্চলের পুয়ের্তো রিকোতে এসেছিলেন। এর মাধ্যমে আদিবাসী আমেরিকানদের সাথে ইউরোপীয়দের প্রথম পরিচয় হয়। এর পর অধিকাংশ আমেরিকান আদিবাসীরাই ইউরেশিয়া অঞ্চলের মহামারী রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে।

উপনিবেশ : সে সময় আমেরিকায় ইউরোপীয় উপনিবেশ স্থাপনকারীদের বাসস্থান ছিল মূলত ফ্লোরিডায়। সেই ঔপরিবেশিক উপনিবেশগুলোর মধ্যে বর্তমানে কেবল ১৫৬৫ সালে স্থাপিত সেন্ট অগাস্টিন উপনিবেশটিই টিকে আছে। এছাড়া ফরাসি পশুর লোম ব্যবসায়ীরা গ্রেট লেক্‌সের নিকটে নিউ ফ্রান্স নামক একটি বাসস্থল গড়ে তুলেছিল। এর পরে স্পেনীয়রা বর্তমান যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলে বিস্তৃত উপনিবেশ প্রতিষ্ঠা করে। এই অঞ্চল বর্তমান মেক্সিকোর অন্তর্গত। প্রথম সফল ইংরেজ উপনিবেশ ছিল ১৬০৭ সালে জেম্‌সটাউনে প্রতিষ্ঠিত ভার্জিনিয়া উপনিবেশ এবং ১৬২০ সালে প্রতিষ্ঠিত প্লিমাথ (ইংরেজি: Plymouth) উপনিবেশ। ১৬২৮ সালে ম্যাসাচুসেট্‌স বে উপনিবেশ প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে উপর্যুপরি অর্থায়নের পর ইংরেজদের মধ্যে অভিবাসনের জোয়ার বয়ে যায়। ১৬৩৪ সালের মধ্যে নিউ ইংল্যান্ডে প্রায় ১০,০০০ পিউরিটান বাসস্থান গড়ে তোলে। ১৬১০-এর দশকের শেষ দিকে ব্রিটিশ সেদেশের বিপ্লবীদের মধ্যে ৫০,০০০ জনকে আমেরিকায় ব্রিটিশ উপনিবেশসমূহে স্থানান্তর করে। ১৬১৪ সাল থেকে নেদারল্যান্ডের উপনিবেশিকরা হাডসন নদীর নিম্নভূমি জুড়ে এবং ম্যানহাটন দ্বীপ ও নিউ আমস্টারডামে বসতি গড়ে তুলেছিল। ১৬৩৮ সালে সুয়েডীয়রা ডেলওয়্যার নদীর পাশ জুড়ে ছোট একটি উপনিবেশ গড়ে তুলেছিল যার নাম ছিল নিউ সুইডেন। কিন্তু ১৬৫৫ সালে ডাচরা তা অধিকার করে নেয়।

কৃতজ্ঞতায়:Wikipedia

1 COMMENT

  1. টাইটেল এডিট করে দিলাম, এরপরের পার্ট এ এভাবেই টাইটেল লিখবেন। সাথে দেশের নাম উল্লেখ করবেন। উইকিপিডিয়া থেকে তথ্য নিয়ে নিজের মত করে লিখতে পারবেন, কিন্তু সরাসরি কপি করবেন না। যদিও আপনি করেন নি, কিন্তু জানিয়ে রাখলাম। ধন্যবাদ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here