🍁এই মুহূর্তে আমি বারান্দায় বসে লিখছি , সামনে নদীর পানি তা কিছু ইলেক্ট্রিক বাল্বের আলোয় চিকচিক করছে, রাস্তায় রিক্সা আর গাড়ির টুংটাং আওয়াজ আর প্রচন্ড বাতাস, একটু আগে গান শুনছিলাম, অতিরিক্ত গান শুনা আমার ওয়ান এন্ড অনলি” গিলটি প্ল্যাজার ” যদিও কথা গুলো হিমু বিষয়বস্তুর সাথে যায় না তাও বলছি। কেন বলাম তার কারণ টাও এখন স্পষ্ট করে দিচ্ছি, এই মুহূর্তে আমার মনে হচ্ছে পৃথিবীতে সবচেয়ে সুখী আমি😇।হিমুর গল্প গুলো তো আমরা সবাই কম বেশি জানি, সে এক উম্মাদ। কিন্তু এটা কি কেউ লক্ষ্য করেছেন হিমুর জীবনে কোন হতাশা, কোন আফসোস, কোন টেনশন নেই। আর এই জিনিস গুলোই তো আমাদের জীবনকে ক্যারাসিন বানিয়ে রাখে। তো আলটিমেটলি, হিমু একজন সার্টিফিকেট প্রাপ্ত সুখী বান্দা।😇

আর এই সুখী হওয়ার ফর্মূলা টা কী? যা হিমুকে হিমু বানায়? ” নির্লিপ্ততা ” হ্যাঁ আবার পড়ুন “নির্লিপ্ততা”
আমি নির্লিপ্ততা দিয়ে কী বুঝাতে চাই??

ধরুণ, তিনজন মানুষ তাদের একজন হাজার পতি, একজন লাখপতি, একজন কোটিপতি, ( পতি, শব্দের অর্থ মালিক, হিন্দিতে হাসবেন্ড কে পতি বলে, অর্থাৎ বউ এর মালিক 🥴 savage) এখন বলুন তো এদের মধ্যে কে সবচেয়ে সুখী? উত্তরটা কমেন্ট বাক্সে রেখে যেতে পারেন😅

এখন, যদি আপনার প্রয়োজন হয় ১০০ টাকার আপনি ৫০০ টাকা ইনকাম করে, ৪০০ টাকা বেশি পাচ্ছেন , আর এই ৪০০ টাকা আপনার মুখে হাসি ফোঁটাতে যথেষ্ট আর যদি আপনার চাহিদা ২ কোটি হয়? তবে কী কোটি পতি আপনি নিজেকে কোনমতে সন্তুষ্ট রাখতে পারছেন?

সুখ জিনিসটা কোন অবজেক্টিভ ব্যাপার না, It’s a state of mind. টাকার সাথে দূর দূর পর্যন্ত এর কোন সম্পর্ক নেই আপনি যদি সুখের খোঁজে টাকা কামাতে চান তবে আপনি বোকা, যদিও আমি কোন মহাজ্ঞানী না যে আমি বলেই আপনি বোকা হয়ে যাবেন কিন্তু জীবনের একটা পর্যায়ে আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন এটা আমি আশা রাখি।

এখন বলি,কেন আমি হিমু কে ভালোবাসি, কারণ আপনি নিজের মুখের হাসিটা দেখতে পান না,কিন্তু আপনার কোন কথায় বা কাজে যদি একটা দুঃখি মুখে হাসি ফোঁটে আপনি নিজেও হাসেন।আর হিমু তো তাই করে, সে কোন না কোন দিন আপনাকেও হাসিয়েছে হয়তো, তো?হিমু কে আমি তাই ভালোবাসি। ❤

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here