কমান্ড ডেক থেকে চিফ কমান্ডার রুদ্র শাহরিয়ার এসে সবাই ওয়েলকাম স্পিচ দিলেন।

 

রুদ্র শাহরিয়ার হচ্ছেন সেই ব্যক্তি যিনি দেশে আইটি সেক্টরকে এতোদূর নিয়ে এসেছেন।এতে অবশ্য তার একার অবদান নেই এটা তিনি অকপটেই স্বীকার করেন সবসময়।উনার সাথে কাজ করা হাজারও তরুনদের পুরো ডাটাবেজ করা আছে ন্যাশনাল আর্কাইভ।এই তরুণদের এক একজন দেশের এক একটা হীরা বলা চলে।কারণ এদের কারণেই দেশের আজকে প্রথম প্যাসেঞ্জার স্পেসক্রাফ্ট বানানো সম্ভব হয়েছে।এদের উপর রুদ্রের এতো বিশ্বাস যে এদের সবার কাছে দেশের মেইন সার্ভার এ প্রবেশ করার একটি কি কার্ড রয়েছে। এরা দেশের প্রয়োজনে যেকোনো মূহুর্তের দেশের আটিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স শাটডাউন করে ম্যানুয়াল ওভাররাইট নিতে পারে।

প্রশ্ন হতে পারে এতো বড় কাজ এরা কিভাকে কমান্ডার এর নির্দেশ ছাড়া করতে পারে?

২০৪৫ সাল এর জুন মাস এর মাঝামাঝি সময় দেশের আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর উপর একটি সাইবার হামলা সংগঠিত হয়।উদ্দেশ্য ছিলো দেশের পুরোপুরি কন্ট্রোল হাতিয়ে নেয়া।কিন্তু দেশের শক্তিশালী ফায়ারওয়াল এর দায়িত্বে থাকা এই তরুণদের জন্য তা সম্ভব হয় নি।দেশে কারা এভাবে হামলা করতে চেয়েছে তা খতিয়ে দেখতে শুরু করে তরুণের সাইবার ইউনিট।এবং শেষ মেষ নাম উঠে আসে বিরু দত্ত নামের।যে কিনা এআই(আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স) এর ফাইয়ারওয়ালের দায়িত্বে ছিলো।যাকে একটু আগে ডাটাবেজ ওভাররাইট এর কারণ দেখিয়ে এআই গ্রেফতার করে নিয়েছে।

 

Cosmo 2312 Bangladesh by Maruf Shahrier
Its a science friction written by Maruf Shahrier

যদি এই এআই এর ফায়ারওয়াল ভেঙে ফেলতো তাহলে হয়তো এই দেশের মানুষের সকল তথ্য চলে যেতো বাইরে কোনো একদেশের সাইবার মাফিয়ার কাছে।তারপর বছরের পর বছর আমাদেরকে তাদের কাছে তাদের ফ্রিলান্সার ওয়ার্ক হয়ে কাজ করতে হতো বিনা পারিশ্রমিকে।

এতো বড় বিপদ থেকে রক্ষা করায় দেশের গবর্নিং প্যানেল তাদেরকে এই বিশেষ ক্ষমতা দিয়েছে।যার সাহায্য তারা যেকোনো মূহুর্তের ন্যাশনাল ডাটাবেজ একসেস সহ এআই এর সকল আপডেইট যেকোনো জায়গা থেকে করতে পারে।এর জন্য এদেরকে একটি বিশেষ ডিভাইসও দেয়া হয়েছে।একদম ছোট্ট একটি ডিভাইস।যেকোনো কিছু সাথে কানেক্ট করে সেটিকে একটি কম্পিউটার বানিয়ে ফেলা যায়।এই ডিভাইসটি তৈরি করেছে রুদ্র শাহরিয়ার এর ছোট ভাই নীল।এই নীল কখনো আইসিটি ডিভিশন এ আসার স্বপ্ন দেখেনি।একটি ইমেইল ভুলবশত তার একাউন্টে চলে আসে আজ থেকে প্রায় ৫ বছর আগে। দেশের এআই ডাউন করে দিতে চাইছে এরকম একটি ইমেইল।যা দেখে ইমেইলটির পেছনে গেলে পরে।তার বড় ভাই রুদ্র শাহরিয়ারতে জানায় ব্যাপারটি।পরে একটি টিম গঠন করে এই নাশকতাকারীদের ধরা হয়।এরপর থেকেই মূলত নীল এর এসব বিষয়ে কৌতূহল জাগে।আজ সে দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদে একজন সাইবার সিউকিউরিটি এক্সপার্ট হেড হিসেবে নিয়োজিত।

……চলবে…………. © মারুফ শাহরিয়ার

© কপিরাইট ২০২০ লেখক ছাড়া অন্য কেউ লেখাটি পোস্ট,পরিবর্তন,সংযোজন,বিয়োজন করার অধিকার রাখে না

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here