“নিষাদ”
লেখকঃ হুমায়ূন আহমেদ
ব্যক্তিগত রেটিং ৭/১০

মুনির ছেলেটি অনেক শান্ত স্বভাবী। তার পরিবারে আছে তার মা-বাবা, ছোট বোন আর সে। তার বাবা একজন উকিল। যথেষ্ট টাকা রোজগার করেন আর সেরকম খরচও করেন। মুনির তখন ক্লাস নাইনে পড়ে। হঠাত একদিন তার বাবা ভীষণ অসুস্থ হয়ে পরেন। তাদের বাড়ির পাশের কোন কবিরাজকে খবর দেয়া হয়। কবিরাজ ঔষধ বানিয়ে দেয়। ঔষুধে কাজ হয় না। রাতের দিকে তিনি মারা যান। পরে জানা যায় তার বাবার এপেন্ডিসাইটিস হয়েছিল। যদি যথা সময়ে তাকে হাসপাতালে নেয়া হতো তাহলে হয়ত বাচানো যেত।

তার বাবা মারা যাওয়ার পর পরই অনেকগুলো বিষয় ঘটে। তার মা’ও বেশিদিন বাচে না। তার বোনকে অল্প বয়সে বিয়ে দোয়া হয়। দেখা যায় মুনিরের বাবার অনেক ঋণ ছিল তারাও বাড়িতে ভীর করতে থাকে।

কয়েক বছর কেটে যায়, মুনির বাড়ি থেকে দুরে একটা চাকরি করে সেখানেই থাকে। একদিন সে স্বপ্নে তার অতীত দেখতে পায়। সে দেখতে পায় তার বাবা অসুস্থ আর কবিরাজকে খবর দেয়া হয়েছে। সে জানে এর পর কি ঘটবে। তাই সে যায় নিকটস্থ ডাক্তারের কাছে। ডাক্তার এসে মুনিরের বাবাকে দেখেন এবংবলেন এখনি অপারেশন করতে হবে। ডাক্তার মুনিরের হাতে একটি চিঠি দিয়ে বলেন চিঠিটা হাসপাতালের কোন এক ব্যক্তিকে দিতে হবে।

স্বপ্নটা সে এই পর্যন্ত দেখে এবংজেগে উঠে। কিন্তু মজার ব্যপার হচ্ছে সে স্বপ্ন থেকে জেগে উঠার পর দেখতে পায় তার হাতে স্বপ্নে দেয়া ডাক্তারের সেই চিঠি। এই রহস্যভেদ করার জন্য মুনির #মিসির_আলির কাছে আসেন। আর এভাবেই কাহিনী এগোতে থাকে। এখন কথা হচ্ছে সে কি স্বপ্নই দেখছিল? আর স্বপ্ন দেখলেও তার হাতে চিঠি কিভাবে আসল? প্রশ্নগুলোর উত্তর খুজতে পড়তে পারেন #হুমায়ুন_আহমেদ এর #নিষাদ।

মিসির আলি সিরিজের তৃতীয় উপন্যাস এটি। থ্রিলিং আর সাসপেন্স ভালই ছিল। রেটিংকম দেয়ার কারন হচ্ছে এর ইন্ডিং। একটু অসম্পূর্ণ এবংঅগোছালো লেগেছে। তা বাদে সব ঠিক ছিল। পড়া না থাকলে পড়তে পরেন। আর অলরেডি পড়া থাকলে আপনার কেমন লেগেছে জানাতে ভুলবেন না।

রিভিউ কেমন হয়েছে জানালে অনেক খুশি হব। আর রিভিউ নিয়ে কোন পরামর্শ থাকলে কমেন্ট করতে পারেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here