– Rich Dad Poor Dad.
লেখক-Rodert T.Keyosaki.

প্রকাশ সাল -১৯৯৭।
পৃষ্ঠা সংখ্যা -২০৭।
বেস্ট সেলার
ধরণ- সেল্ফ ডেভেলপমেন্ট।
রবার্ট যখন ৯ বছরের ছিল তখন তার স্কুলের বন্ধুরা Picnic করেছিল। কিন্তু রবার্টের বন্ধুরা রবার্ট কে আমন্ত্রণ করেনি। কারণ সে ছিল গরিব।
এই ঘটনা রবার্টকে এতটাই দুঃখ দেয় যে রবার্ট ভেবে নেয় তাকে ধনী হতেই হবে।
রবার্টের দুজন বাবা ছিলেন।
একজন রবার্টের নিজের বাবা। যাকে রবার্ট Poor Dad অর্থাৎ গরিব বাবা বলেন।
অন্যজন ছিলেন রবার্টের বন্ধুর বাবা যাকে রবার্ট নিজের আদর্শ মনে করতেন এবং Rich Dad অর্থাৎ ধনী বাবা বলেন।

রবার্টের গরীব বাবা একজন শিক্ষক ছিলেন যিনি ৪ বছরের Graduation ২ বছরের ও কম সময়ে শেষ করেন এবং যার কাছে ছিল P.Hd র মতো Degree ।
আর তার ধনী বাবা পড়াশোনা করেছিল মাত্র অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত এবং তিনি ছিলেন একজন ব্যবসায়ী।
রবাটের এই বাবার চিন্তাধারা একদম ভিন্ন ছিল।
তার গরীব বাবা তাকে বলতেন যে রবার্ট ভালোভাবে পড়াশোনা করো যেন তুমি কোন ভাল চাকুরী পাও।
অন্যদিকে ধনী বাবা বলতেন যে রবার্ট ভালোভাবে পড়াশোনা করো যেন তুমি একদিন নিজের কোন কোম্পানি খুলে অন্যদের চাকরি দিতে পারো।
তার গরীব বাবা বলতেন যে টাকাপয়সা সমস্ত খারাপ জিনিস এর মূল কারণ।
অন্যদিকে ধনী বাবা বলতেন যে টাকাপয়সা না থাকা সমস্ত খারাপ জিনিস এর মূল কারণ।
তার গরীব বাবা বলতেন এমন কোনো দামি জিনিস কেনার বিষয়ে আমাদের ভাবা উচিত নয় যা আমরা কিনতে পারব না। কারণ আমরা গরীব।
অন্যদিকে তার ধনী বাবা বলতেন যে যদি তুমি কোনো দামি জিনিস কিনতে চাও তবে তোমাকে ভাবতে হবে কিভাবে তুমি এত বেশি রোজগার করতে পারবে যার ফলে তুমি তা কিনতে পারবে।
রবার্ট তার এই দুই বাবার কথা মন দিয়ে শোনে ও বিশ্লেষণ করে এবং সিদ্ধান্ত নেয় কোন বাবার কথা তার শোনা উচিত।
আপনার কি মনে হয় রবার্ট কোন বাবার কথা শুনেছিল ??
আপনি একদম ঠিক ধরেছেন। রবার্ট তার ধনী বাবার কথা শুনে ছিল এবং তাকেই নিজের আদর্শ হিসাবে বেছে নিয়েছিল।
রবার্টের ধনী বাবা রবার্টকে কি শিখিয়েছিলেন ?
রবার্টের ধনী বাবা রবার্টকেকে যে কথাগুলো শিখিয়েছিলেন তার মধ্যে কয়েকটি এই রকম –
১] গরিব মানুষ টাকার জন্য কাজ করে, ধনীরা টাকা কে দিয়ে কাজ করান।
Poor people work for money, Rich make money work for them.
Robert T Kiyosaki.

বইটা থেকে একটা বড় ধরণের দিক নির্দেশনা পাওয়া যায় তা এই যে আমরা ভাবি অর্থই অনর্থের মূল এবং এই ধারণা থেকেই অনেকেই কর্মবিমুখ হওয়ার একটা যুক্তি দাঁড় করিয়ে ফেলে। কিন্তু ব্যাপারটা কতটুকু যৌক্তিক? তা কি আমরা ভেবে দেখিছি?বইটা পড়লেই আপনি বিষয়টি অন্য ভাবে দেখবেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here